
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ প্রকল্প যাচাই করতে বাংলাদেশে আসছে চীনের একটি কারিগরি বিশেষজ্ঞ দল। গত মার্চে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চীন সফরের পর থেকেই এ প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ গতি পেয়েছে। ইতোমধ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের কাছে ঋণ চেয়ে চিঠি দিয়েছে।
এর আগে ভারতও তিস্তা প্রকল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল। তবে বর্তমানে চীনই এ বিষয়ে কার্যকর অগ্রগতি দেখাচ্ছে। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, কৌশলগত দিক থেকেও তিস্তা প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা বাংলাদেশের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, তিস্তা ও আরও কিছু নদীর উৎপত্তিস্থল চীনে হওয়ায় পানি প্রবাহ নিয়ে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বৈঠকে তিস্তা প্রকল্প ছাড়াও চীনের অর্থায়নে হাসপাতাল নির্মাণ ও অন্যান্য উন্নয়ন উদ্যোগ, বৈশ্বিক সুশাসন উদ্যোগে (জিজিআই) বাংলাদেশের যোগদানের বিষয় এবং জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর চীনের নতুন বিনিয়োগ নিয়েও আলোচনা হয়। চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, গত কয়েক মাসেই বাংলাদেশে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ৮০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।