ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অসন্তোষ ক্রমেই বাড়ছে। কাতারে হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতাদের লক্ষ্য করে ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলার পর ওয়াশিংটনের আশঙ্কা, যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তি সংক্রান্ত আলোচনাকে বানচাল করতে চাইছেন নেতানিয়াহু।
ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা দলের ঘনিষ্ঠ এক অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়, দোহায় হামাসের শীর্ষ নেতাদের ওপর মঙ্গলবারের বিমান হামলাটি ইচ্ছাকৃতভাবে আলোচনার অগ্রগতিকে ঠেকানোর পদক্ষেপ হতে পারে।
গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) গাজায় মার্কিন প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের সময কাতারের রাজধানী দোহায় হামাসের একটি অফিস ভবনকে লক্ষ্যবস্তু করে বিমান হামলা চালায় ইসরাইল।
ওই হামলায় ছয়জন নিহত হন, যার মধ্যে রয়েছেন সিনিয়র হামাস নেতা খলিল আল-হাইয়ার ছেলে হুমাম, তিনজন দেহরক্ষী এবং একজন কাতারি নিরাপত্তা কর্মকর্তা। হামলার জেরে পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা তীব্রভাবে বেড়ে গেছে। এদিকে দোহায় ইসরাইলের বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে দেয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রসহ ১৫ সদস্য রাষ্ট্রই কাতারের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এবং পরিস্থিতি প্রশমনের আহ্বান জানায়। তবে যৌথ বিবৃতিতে ইসরাইলের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
কাতারকে শক্তিশালী উপসাগরীয় মিত্র হিসেবেও বিবেচনা করে ওয়াশিংটন। গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে কাতার।