বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল-বিলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী অবৈধ নেট-পাটা ও নিষিদ্ধ জাল অপসারণে বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আইরিন। এ সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আছাদুল্লাহ, ফকিরহাট মডেল থানার এএসআই মিন্টু বিশ্বাস, ইউপি সদস্য মো. শরিফুল শেখ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে লখপুর ইউনিয়নের মাসকাটা খাল, জুগিখালী খালের ১০ গেট ও ৬ গেট এলাকায় অবৈধভাবে স্থাপন করা জাল ও নেট-পাটা অপসারণের জন্য এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জব্দ করা অবৈধ জাল, নেটপাটা, উচ্ছেদ করে তা কেটে নষ্ট করা হয়।
স্থানীয় মৎস্য চাষী মো. শরিফুল ইসলাম জানান, নদী-খালে জাল-পাটা দেওয়ার ফলে পানি প্রবাদে বাধাগ্রস্থ হওয়ায় বিভিন্ন বাড়ি-ঘর, ক্ষেত-খামার জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এটি উচ্ছেদের ফলে খুব দ্রুত পানি নিস্কাশ হবে। এতে এলাকায় জলবদ্ধতার অনেকাংশে কম হবে।
সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আছাদুল্লাহ বলেন, “জলাবদ্ধতা নিরসনে অবৈধ জাল ও নেট-পাটা অপসারণ অত্যন্ত জরুরী। এগুলো শুধু পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতাই সৃষ্টি করে না বরং মাছের প্রজননও ব্যহত করে। পাশাপাশি পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে।
ফকিরহাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমনা আইরিন বলেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধ মৎস্য আহরণ ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।